Home আইন-আদালতসরকারি প্রকল্পের গাছ কাটতেও নিতে হবে অনুমতি

সরকারি প্রকল্পের গাছ কাটতেও নিতে হবে অনুমতি

by The Desh Bangla
০ comments

শুধু বেসরকারি পর্যায়ে নয়, এখন থেকে কোনো সরকারি প্রকল্পের জন্য শহর বা রাস্তার পাশের গাছ কাটার প্রয়োজন হলে অনুমতি লাগবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরিবেশ সচিব, পরিবেশবিদ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি থেকে এ অনুমতি নিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন।

গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা শহর এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)’র পক্ষে ২০২৪ সালের ৫ মে রিট আবেদন করা হয়। প্রাথমিক শুনানির পর ৭ মে রুল দেন হাইকোর্ট। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

পরিবেশ রক্ষায় গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা শহর ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটা কেন পরিবেশ ও মানবাধিকার পরিপন্থী হবে না, ব্যক্তি মালিকানার গাছ ছাড়া সারাদেশে গাছ কাটা বন্ধে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, গাছ কাটার আগে এ সংক্রান্ত কমিটি থেকে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

এই রুল যথাযথ ঘোষণা করে গত বছর ২৮ জানুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট। গাছ কাটার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে সাতদিনের মধ্যে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় রায়ে। রায়ে বলে দেওয়া হয়, সরকারি প্রকল্পের জন্য এবং গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ কাটার ক্ষেত্রে অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

রায়ে আদালত বলেন, ‘দেশে দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে গাছ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। নির্বিচারে গাছ কাটা হলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে, যা আমাদের বেঁচে থাকার অধিকারকে খর্ব করছে। পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য যে পরিমাণ গাছ বা বনায়ন দেশে থাকা প্রয়োজন সে পরিমাণ গাছ বা বনায়ন নেই। ফলে গাছ সংরক্ষণ করা খুবই জরুরি।’

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, সরকারি প্রকল্পের জন্য গাছ কাটতে অনুমতি লাগবে না, রায়ের এই অংশটির সংশোধন এবং পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে গত বছর ১৭ জুলাই আবেদন করা হয়েছিল।

You may also like

Leave a Comment