ভোটাধিকার আরও সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে বিলটি পাস হয়।
সংসদীয় কার্যক্রমের শুরুতে স্পিকার বিলটির ওপর দফাওয়ারি সংশোধনীগুলো হাউসে উত্থাপন করলে কোনো সংশোধনী না থাকায় বিলের ধারা ২, ৩ ও ৪ এবং শিরোনাম ও প্রস্তাবনাগুলো কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ডেপুটি স্পিকারের সঞ্চালনায় সংসদ সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিলটি পাস হয়।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, সার্বজনীন ভোটাধিকার নীতি পুরোপুরি বাস্তবায়নের স্বার্থে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার যৌক্তিক সময় পূর্ব পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাদেরকেও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশটিকে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংসদের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে বিল আকারে পাস করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল। প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত হওয়ায় এখন থেকে সার্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়ন আরও সহজতর হবে।
উল্লেখ্য, ‘ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯’ সংশোধনের উদ্দেশ্যে গত বছর ‘ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল। আজ সংসদ অধিবেশনে পাসের মাধ্যমে তা পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরিত হলো।
