মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসন। এবার এখানে লড়াই হবে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের। তবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা। আশাবাদী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা দেলওয়ার হোসাইনও।
দেশ স্বাধীনের পর থেকে যদিও জামায়াতে ইসলামী মানিকগঞ্জ-৩ আসনে একবারও জয়ী হতে পারেনি। এ আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলছে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন হোসাইন খুব ভালো মানুষ। গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাই-বাচাইয়ের পর থেকে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা আছেন ফুরফুরে মেজাজে। আফরোজা খানম রিতা জানেন, এ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি। উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মনেও আনন্দ বিরাজ করছে। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আতাউর রহমান আতার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে আনন্দ বিরাজ করছে। এই আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হলেনÑ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, এবি পার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জনি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, জেপির প্রার্থী আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ জাসদের মো. শাহজাহান আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল ইসলাম খান কামাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলীস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শামসুদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছে।
আফরোজা খানম রিতার বরাদ দিয়ে সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার বলেন, এ আসনে আফরোজা খানম রিতা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হবেন। এত ভোট পেয়ে বিজয় হবেন যে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর কোনো এমপি এত ভোট পেয়ে বিজয়ী হবেন না, আমার বিশ্বাস।
জামায়াত প্রার্থী মাওলানা দেলওয়ার হোসাইনের বরাদ দিয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আবু সাঈদ বিএসসি বলেন, যদি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তাহলে এ আসনে মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন বিপুল ভোটে বিজয় হবেন ইনশা আল্লাহ।
