Home আন্তর্জাতিককোরিয়ার এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদন বিলম্বে বিআরটিসির ৩৪০ এসি বাস ক্রয় পুনরায় পেছালো

কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদন বিলম্বে বিআরটিসির ৩৪০ এসি বাস ক্রয় পুনরায় পেছালো

by Akash
০ comments

সংক্ষিপ্ত ও সংবাদধর্মী পুনর্লিখন:

কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদন বিলম্বের কারণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) ৩৪০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস কেনার প্রকল্প বারবার পেছালো।

২০২৪ সালের মধ্যে বাসগুলো কোরিয়া থেকে আনার পরিকল্পনা থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্রমাগত বিলম্বের কারণে বিআরটিসি প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানোর। সম্প্রতি এই ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক কর্নেল কাজী আয়ুব আলী ও বিআরটিসি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ মোল্লার স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর একনেক অনুমোদনের পর প্রকল্প পরিচালক ও কোরিয়ান পরামর্শক নিয়োগে প্রায় ১৫ মাস সময় লেগেছে। এরপর ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর দরপত্র কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও একাধিক সংশোধনের কারণে চূড়ান্ত অনুমোদন ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে যায়।

দরপত্রের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর জাতীয় পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া—কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন, সরকারি অনুমোদন, চুক্তি স্বাক্ষর ও সরবরাহ—শেষ করতে আরও দুই বছর সময় লাগতে পারে।

নতুন পরিকল্পনায়, প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ১ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। ৩৪০টি সিএনজি চালিত সিঙ্গেল ডেকার এসি বাসের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১,১৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮২৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) ঋণ থেকে আসবে, বাকি ৩০৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে।

বিআরটিসি সূত্র জানায়, ১৪০টি বাস ঢাকা মহানগর রুটে চলবে, বাকি ২০০টি আন্তঃনগর রুটে ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি বাসের সঙ্গে ১৫% অতিরিক্ত খুচরা যন্ত্রাংশ ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম আমদানি করা হবে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ও আন্তঃনগর রুটে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থার প্রসার ঘটবে।

You may also like

Leave a Comment