সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন জামালপুরের একটি আদালত। একই আদেশ দেওয়া হয়েছে মামলার অপর আসামি টক-শোর উপস্থাপক মহি উদ্দিন হেলাল নাহিদের বিরুদ্ধেও।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সরিষাবাড়ী আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে একটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুকভিত্তিক টক-শোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
মামলার বাদী জামালপুর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা লায়ন রুমেল সরকার অভিযোগ করেন, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের সুনাম ও মর্যাদার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
মামলায় ডা. মুরাদ হাসানের পাশাপাশি টক-শোর উপস্থাপক, চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলাকার বাসিন্দা মহি উদ্দিন হেলাল নাহিদকেও আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান জানান, গত বছরের ২৪ মে তৎকালীন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুকসানা পারভীন মামলাটি আমলে নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন। তবে সমন জারির পরও তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।
তিনি বলেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আদালতে অনুপস্থিত থাকায় এবার তাদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও তারা আদালতে হাজির না হলে আইন অনুযায়ী তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলার বিচারকাজ চলবে।
