ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। কয়েক দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলোকে এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
সরকারি শোকানুষ্ঠান শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই দুই শহরের ধর্মীয় স্থাপনায়ও খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।
সবশেষে ইরানের মাশহাদ শহরে তার দাফন সম্পন্ন হবে। মাশহাদই ছিল খামেনির জন্মস্থান।
খামেনির সঙ্গে তার পরিবারের আরও চার সদস্যকেও দাফন করা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হওয়া তার মেয়ে, পুত্রবধূ, জামাতা এবং তিন বছর বয়সী নাতনির মরদেহও একই দাফন কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
