নাটকীয়তার শেষ ছিল না টরন্টো স্টেডিয়ামে। গনসালো রামোসের ৯৪ মিনিটের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও স্বস্তিতে থাকতে পারেনি পর্তুগাল। যোগ করা সময়ের ১০ মিনিট পেরিয়ে গেলে সমতাসূচক গোল পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন লুকা মদরিচরা। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অফসাইডে সেই গোল বাতিল হয়। নাটকীয় শেষ মুহূর্তের পর ২–১ ব্যবধানে জেতে পর্তুগাল।
ম্যাচে প্রথমে ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। এরপর ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের ক্রস থেকে গনসালো রামোসের হেডে আসে জয়সূচক গোল।
৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। দ্রুত নেওয়া এক থ্রো-ইন থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে ইয়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন অভিজ্ঞ এই উইঙ্গার।
তবে ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৬০ মিনিটে একবার বল জালে পাঠিয়েও অফসাইডের কারণে গোলবঞ্চিত হয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্কোরশিটে নাম তুলতে ভুল করেননি।
এরপর রামোসের শেষ মুহূর্তের গোলে ২–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে পর্তুগাল।
