জয়টা একটু দেরিতেই এসেছে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার। যদিও ব্যবধানটা আরও বেশ বড় হলে তারা সরাসরি বিশ্বকাপের নকআউটে উঠত। তবে গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় হওয়ায় এখনও বসনিয়ার নকআউট পর্বে ওঠার আশা ভালোভাবেই টিকে আছে। কাতারের বিদায় নিশ্চিতের ম্যাচে তারা জিতেছে ৩-১ গোলে।
‘বি’ গ্রুপ থেকে শেষ ৩২ এবং অবস্থান নিশ্চিতের লক্ষ্যে বুধবার দিবাগত রাতে একসঙ্গে হয়েছে দুটি ম্যাচ। ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে ১২টি গ্রুপের মধ্যে তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা আটটি দল নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট পাওয়া বসনিয়া সেই আশা করতেই পারে। দুইয়ে থাকা কানাডার পয়েন্টও সমান ৪, তবে তারা এগিয়ে আছে গোল ব্যবধানে।
এর আগে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা মাত্র একবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল, ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত আসরে ইরানকে হারালেও তাদের বিদায় হয় গ্রুপপর্বে। এবার তাদের সামনে নকআউটে উঠে ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ম্যাচে তারা প্রথম লিড নেয় ২৯তম মিনিটে। ১৮ বছর বয়সী কেরিম আলাইবেগোভিচ ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া শক্তিশালী শটে বল জালে জড়ান। তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা।
৩৪ মিনিটে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ব্যবধান দ্বিগুণ করে কাতারের ফুটবলার সুলতান আল-ব্রেকের আত্মঘাতী গোলে। সিয়েদ কোলাসিনাকের ক্রস দূরের পোস্টে গেলে এডিন জেকো ভলিতে বল মাঝখানে ফেরত পাঠালে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। কাতারের হয়ে হাসান আল হাইদোস ব্যবধান কমান ৪২ মিনিটে দেওয়া গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা আবারও গোলের ব্যবধান বাড়ায়। ৮০তম মিনিটে এরমিন মাহমিচ গোল করলে স্কোরলাইন ৩-১ হয়। সেই জয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পেয়ে বসনিয়ার নকআউটে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।
