Home আইন-আদালতহাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আংশিক চার্জগঠনের শুনানি

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আংশিক চার্জগঠনের শুনানি

by The Desh Bangla
০ comments

‎‘জয় বাংলা ব্রিগেডের’ জুম মিটিংয়ে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারকে ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রেররাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি গ্রহণ করেছেন আদালত। 

‎আজ বুধবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম এ শুনানি গ্রহণ করেন। 

‎‎এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানিকালে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ৩০ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিন ২০ আসামির মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবীরা। অপর ১০ আসামির পক্ষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অব্যাহতির বিষয়ে শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত।

‎‎মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৩০ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জন পলাতক রয়েছেন।

‎‎‎কারাগারে থাকা অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-খুলনার যুবলীগ নেতা পারভেজ খান ইমন, চট্টগ্রাম ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ প্রধান কবিরুল ইসলাম আকাশ, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড বরিশাল বিভাগের অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সোহানা পারভীন রুনা, হাফিজুর রহমান ইকবাল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মধু, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আল মারুফ, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, সাজ্জাদুল আনাম। 

‎‎২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে সেখানেই আছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাকেসহ ২৫৯ আসামিকে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার কার্যক্রম চলছে।

‎‎সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক গত ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।

‎‎গত ১৪ অগাস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এ ছাড়া গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত । 

‎‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন কয়েকশ নেতাকর্মী। এ সময় শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের সামনে ‘দেশবিরোধী’ বক্তব্য দেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

You may also like

Leave a Comment