২৪
বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক ঐতিহাসিক দিনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিজের শততম টেস্ট ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি, যার মাধ্যমে তিনি দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি শতরানের রেকর্ডে স্পর্শ করলেন মুমিনুল হককে। একইসঙ্গে তিনি বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার বিরল কীর্তি গড়লেন।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
দ্বিতীয় দিন ৪ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুশফিকের তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান।
তবে সেঞ্চুরির পরপরই তিনি বিদায় নেন। বাঁহাতি স্পিনার হামফ্রিসের একটি অতিরিক্ত বাউন্স এবং টার্ন করা বল সামলাতে পারেননি মুশফিক। ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে থাকা ফিল্ডার বলবার্নির হাতে, যিনি এক হাতে দারুণ ক্যাচটি লুফে নেন। মুশফিকুর রহিম ২১৪ বল খেলে ১০৬ রান করে আউট হন।
আউট হওয়ার আগেই ইতিহাস গড়ার কারণে আইরিশ খেলোয়াড়রা তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়ে অভিনন্দন জানান।
মুশফিকের আগে যে কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা তাদের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েছিলেন, তারা হলেন:
| ক্রিকেটার | দেশ | প্রতিপক্ষ | রান | সাল |
| কলিন কাউন্ড্রে | ইংল্যান্ড | অস্ট্রেলিয়া | সেঞ্চুরি | ১৯৬৮ |
| জাভেদ মিয়াঁদাদ | পাকিস্তান | ভারত | সেঞ্চুরি | ১৯৮৯ |
| গর্ডন গ্রিনিজ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | ইংল্যান্ড | ১৪৯ | ১৯৯০ |
| আলেক স্ট্রুয়ার্ট | ইংল্যান্ড | – | সেঞ্চুরি | – |
| ইনজামাম উল হক | পাকিস্তান | ভারত | ১৮৪ | ২০০৫ |
| রিকি পন্টিং | অস্ট্রেলিয়া | দক্ষিণ আফ্রিকা | সেঞ্চুরি (২ ইনিংসেই) | ২০০৬ |
| গ্রায়েম স্মিথ | দক্ষিণ আফ্রিকা | ইংল্যান্ড | ১৩১ | ২০১২ |
| হাশিম আমলা | দক্ষিণ আফ্রিকা | শ্রীলঙ্কা | ১৩৪ | – |
| জো রুট | ইংল্যান্ড | ভারত | ডাবল সেঞ্চুরি (২২৬) | ২০২১ |
| ডেভিড ওয়ার্নার | অস্ট্রেলিয়া | দক্ষিণ আফ্রিকা | ডাবল সেঞ্চুরি (২০০) | ২০২২ |
