ফরিদপুর-৪ আসন (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা ও তাঁর স্ত্রীর আয় ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৩৯ টাকা। এ ছাড়া বাবুলের বিরুদ্ধে মোট ৪০টি মামলা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শহিদুল ইসলাম বাবুলের দাখিলকৃত হলফনামা এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়। হলফনামা অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী বাবুলের পেশা ব্যবসা। তিনি ‘মানিপ্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড’ ও ‘ইউনিসার্ভিস’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ?তাঁর স্ত্রী নাজনীন রীনা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন।
হলফনামায় আরও বলা হয়, বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা। তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৩৯ টাকা। অস্থাবর সম্পদের হিসাবে বাবুলের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ১৫ হাজার ৭০২ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৮ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ টাকা। এ ছাড়া তার মালিকানায় প্রাইভেট কার, বাস ও ট্রাকসহ যানবাহনের মূল্য দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তার নিজের নামে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
?অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন রীনার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। তার নগদ অর্থ রয়েছে ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ৫৩৮ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ২১৯ টাকা। সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট ও ডাক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ রয়েছে মোট ৩২ লাখ টাকা। এ ছাড়া তার নামে ২১ ভরি স্বর্ণালংকার, ১ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য এবং ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
মামলা সংক্রান্ত তথ্যের ঘরে উল্লেখ করা হয়েছে- বাবুলের বিরুদ্ধে মোট ৪০টি মামলা ছিল। তবে হলফনামা অনুযায়ী তিনি সবগুলো মামলা থেকেই খালাস পেয়েছেন। আইনগতভাবে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো বিচারাধীন মামলা নেই।
