Home রাজনীতিঢাকার ২০ আসনে বৈধ ১৬১ প্রার্থীর মনোনয়ন

ঢাকার ২০ আসনে বৈধ ১৬১ প্রার্থীর মনোনয়ন

by The Desh Bangla
০ comments

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা জেলার ২০টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া ২৩৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১৬১টি বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্যের ঘাটতি থাকায় বাতিল করা হয়েছে ৮১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। ঢাকার ২০টি আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি। তবে জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে মনোনয়ন বাতিলের তালিকায় অধিকাংশই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

গত শনিবার রাজধানীর তিনটি পৃথক দপ্তরে সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া বাছাই প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পৃথকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে এসব আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই করেন। এতে ১৬১ জনের মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পাশাপাশি ৮১ জনের আবেদন বাতিল এবং একজনের প্রার্থিতা স্থগিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সংগঠন রাওয়ার সভাপতি কর্নেল (অব.) আবদুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। একই আসনে বিএনপির প্রার্থী আমানউল্লাহ আমানসহ দুজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা ৯ নম্বর আসনে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা ডা. তাসনীম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে তিনি আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সূত্রমতে, মূলত রাজনৈতিক দলের প্রত্যয়নপত্র (মনোনয়ন) সঠিক না থাকা, হলফনামায় প্রয়োজনীয় সই বা নথির অভাব, ঋণখেলাপি হওয়া এবং ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপন করার কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ গতকাল শেষ হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন। এসব আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

You may also like

Leave a Comment